যুক্তরাজ্যে চাইল্ড বেনিফিটে বড় পরিবর্তন: বিদেশে দীর্ঘ সময় থাকলে বন্ধ হবে শিশু ভাতা
বাংলা ফ্ল্যাশ বাংলা ফ্ল্যাশ
ডেস্ক

লন্ডন, ২৩ আগস্ট ২০২৫:
যুক্তরাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে, বিদেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেও যারা শিশু ভাতা বা চাইল্ড বেনিফিট (Child Benefit) দাবি করে চলেছেন তাদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয় করা।
✅ নতুন নিয়মে কী থাকছে?
- ভাতা গ্রহীতা যদি ৮ সপ্তাহের বেশি সময় যুক্তরাজ্যের বাইরে থাকেন, তবে তার চাইল্ড বেনিফিট বাতিল হবে।
- বিশেষ পরিস্থিতিতে এই সময়সীমা ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
- ভ্রমণ তথ্য ব্যবহার করে HMRC নিশ্চিত করবে ভাতা গ্রহীতা দেশে আছেন নাকি বিদেশে।
✅ পরীক্ষামূলক প্রকল্পে সাফল্য
- মাত্র ১৫ জন তদন্তকারী গত এক বছরেরও কম সময়ে ২,৬০০ জনের ভুলভাবে নেওয়া ভাতা বন্ধ করেছে।
- এতে প্রায় ১৭ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয় হয়েছে।
- এর ভিত্তিতেই পুরো যুক্তরাজ্যে নিয়ম কঠোরভাবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
✅ তদন্তকারী দল বাড়ছে
আগামী মাস থেকে ২০০ জনেরও বেশি তদন্তকারী নিয়ে একটি বিশেষ দল কাজ শুরু করবে। তাদের দায়িত্ব হবে চাইল্ড বেনিফিট দাবি করা প্রত্যেকের ভ্রমণ ও অবস্থান যাচাই করা। সরকারের ধারণা, এর ফলে আগামী পাঁচ বছরে ৩৫০ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত সাশ্রয় সম্ভব।
✅ যুক্তরাজ্যে চাইল্ড বেনিফিটের প্রেক্ষাপট
- বর্তমানে ৬.৯ মিলিয়নেরও বেশি পরিবার এবং প্রায় ১১.৯ মিলিয়ন শিশু চাইল্ড বেনিফিট পাচ্ছে।
- কিন্তু অনেক পরিবার বিদেশে চলে গেলেও নিয়ম ভেঙে ভাতা দাবি করে যাচ্ছে।
- সরকার মনে করছে, এই অপব্যবহার বন্ধ হলে প্রকৃত যোগ্য পরিবারগুলো আরও ভালোভাবে সুবিধা পাবে।
✅ সরকারের বক্তব্য
যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে:
“আমরা নিশ্চিত করতে চাই, করদাতাদের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। যারা নিয়ম ভেঙে বিদেশে থেকেও শিশু ভাতা দাবি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



