
বাংলাদেশের সিলেটসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেছেন। জানা গেছে, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারতের আসাম রাজ্যের শিলচর শহরের কাছাকাছি। স্থানীয় সময় এবং বাংলাদেশ সময় দু’ই মিলিয়ে ভূমিকম্পটি বিকেল ২টা ৪৮ মিনিটে শুরু হয়। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র শিলচর শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ছিল। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার, যা একভাবে বলা যায় যে এটি তুলনামূলকভাবে ভূপৃষ্ঠের কাছে ঘণিষ্ঠ ছিল। এ কারণে সিলেট ও পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকায় কম্পনের প্রভাব স্পষ্টভাবে টের পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে কম্পন বেশ কয়েক সেকেন্ড ধরে অনুভূত হয়েছে। অনেকেই এতে আতঙ্কিত হয়ে বাইরে বের হয়ে এসেছেন। তবে, আপাতত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসনিক সূত্রের মতে, ভূমিকম্পের পর এখনও কোনো জরুরি পরিস্থিতি রিপোর্ট হয়নি এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্কতা অবলম্বন করছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ভূমিকম্প সাধারণত সীমিত অঞ্চলে প্রভাব ফেলে এবং সাধারণত বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ ঘটায় না। তবে মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে অনিয়মিত কম্পন বা aftershock এর সম্ভাবনা থাকায় স্থানীয় প্রশাসন পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখছে।
এই ঘটনার পর সিলেটের বিভিন্ন স্থানে মানুষ সতর্কতার সঙ্গে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হওয়া সাধারণ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা এবং এর জন্য প্রস্তুত থাকা জরুরি।



