ড্যামেজড পাসপোর্ট দিয়ে নতুন পাসপোর্ট: বাংলাদেশ ও ইউরোপে নিয়ম এক নজরে
বাংলা ফ্ল্যাশ বাংলা ফ্ল্যাশ
ডেস্ক

পাসপোর্ট ক্ষতিগ্রস্ত হলে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—ড্যামেজড (damaged) পাসপোর্ট দিয়ে কি নতুন পাসপোর্ট করা সম্ভব? বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ইউরোপে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা জরুরি।
কীভাবে ড্যামেজড পাসপোর্ট গণ্য হয়?
বাংলাদেশের পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের মতে, পাসপোর্টের নাম, ছবি, নম্বরসহ মৌলিক তথ্য স্পষ্ট থাকলে, তবে শারীরিকভাবে নষ্ট হলে সেটি ড্যামেজড পাসপোর্ট হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে নিয়ম
- ড্যামেজড পাসপোর্ট জমা দিতে হবে
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্মনিবন্ধন
- আবেদন ফরম ও ফি জমা
- পুলিশ ভেরিফিকেশন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
প্রসেসিং সময়
- সাধারণ ডেলিভারি: ২১ কার্যদিবস
- জরুরি (এক্সপ্রেস): ১০ কার্যদিবস
ফি নির্ভর করে মেয়াদ (৫ বা ১০ বছর) এবং পৃষ্ঠার সংখ্যা (৪৮ বা ৬৪) এর উপর।
ইউরোপে নিয়ম
ইউরোপে বসবাসরত বাংলাদেশিরা নিকটস্থ দূতাবাস বা হাইকমিশনের মাধ্যমে নতুন পাসপোর্টের আবেদন করতে পারেন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- ড্যামেজড পাসপোর্ট
- NID বা জন্মনিবন্ধন
- আবেদন ফরম ও ইউরোতে ফি জমা
প্রসেসিং সময়
- সাধারণত ৪–৮ সপ্তাহ সময় লাগে (কারণ আবেদন বাংলাদেশে পাঠানো হয় প্রসেসিংয়ের জন্য)।
- ইউরোপে পুলিশ ভেরিফিকেশন সাধারণত প্রয়োজন হয় না।
পাঠকের জন্য টিপস
- ড্যামেজড পাসপোর্ট ফেলে দেবেন না—আবেদনের সময় জমা দিতে হবে।
- গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রসেসিং দীর্ঘ হতে পারে।
- আবেদনের আগে দূতাবাস বা পাসপোর্ট অফিসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখে নেয়া জরুরি।
সূত্র
- বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউ ইয়র্ক – bdcgny.org
- বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট অফিসিয়াল – epassport.gov.bd
- উইকিপিডিয়া – Bangladeshi passport
সংক্ষেপে: বাংলাদেশ বা ইউরোপ—দুই জায়গাতেই ড্যামেজড পাসপোর্ট জমা দিয়ে নতুন পাসপোর্ট করা যায়। শুধু ইউরোপে প্রসেসিং সময় বাংলাদেশ থেকে বেশি হয়।



